জানা-অজানা

সামরিক শক্তিতে কারা এগিয়ে ? বাংলাদেশ নাকি মিয়ানমার

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সামরিক বাহিনীর ৫০টি করে তথ্য বিশ্লেষণ করে তৈরি করা হয়েছে গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার ইনডেস্ক। বাংলাদেশ এ তালিকায় সামরিক শক্তির দিক দিয়ে ৫৭তম অবস্থানে রয়েছে। এতে বিশ্বের ১০৬টি দেশের তালিকা করা হয়েছে। যেখানে স্থান পেয়েছে সামরিক বাহিনীর সদস্যসংখ্যা থেকে শুরু করে পরমাণু শক্তিধর সাবমেরিনের হিসাব। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার।

এ তালিকা অনুযায়ী বিভিন্ন দেশের সামরিক শক্তির পার্থক্যও স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে। এতে যুদ্ধাস্ত্র ছাড়াও যুদ্ধ করার উপযোগী জনসংখ্যাও বিবেচনা করা হয়। এসব দিক দিয়ে দেখা গেছে যুদ্ধ করার উপযোগী জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি রয়েছে চীনের। অন্যদিকে ট্যাংক সবচেয়ে বেশি রয়েছে রাশিয়ার, বিমান সবচেয়ে বেশি রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের। তবে পারমাণবিক বোমার দিক দিয়ে রাশিয়া এগিয়ে থাকলেও বিমানবাহী রণতরীর দিক দিক তারা পিছিয়ে রয়েছে। তবে আশ্চর্যজনকভাবে ডুবোজাহাজের সংখ্যার দিক দিয়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছে উত্তর কোরিয়া।
দেশটিতে ৭৮টি ডুবোজাহাজ রয়েছে বলে জানা যায়।

এতে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিধর দেশ হিসেবে উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের নাম। যুক্তরাষ্ট্রে আট হাজার ৩২৫টি ট্যাংক, সাড়ে ১৩ হাজারেরও বেশি বিমান, সাড়ে সাত হাজারেরও বেশি পরমাণু বোমা, ১০টি বিমানবাহী রণতরী ও ৭২টি ডুবোজাহাজ রয়েছে।

সামরিক শক্তির দিক দিয়ে বিশ্বের দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রাশিয়া। রাশিয়ার ১৩ হাজার ট্যাংক, প্রায় তিন হাজার বিমান, প্রায় সাড়ে আট হাজার পরমাণু বোমা, একটি বিমানবাহী রণতরী ও ৬৩টি ডুবোজাহাজ রয়েছে।

বাংলাদেশের প্রতিবেশী ভারতের অবস্থান সামরিক দিক দিয়ে বিশ্বের চতুর্থ হলেও এ তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৫৭ এবং মিয়ানমারের অবস্থান ৩১ নম্বরে।

Related Articles

Back to top button
Close